মোবাইলের মাধ্যমে সাধারণ ভিডিও গুলি অসাধারণ করে তুলতে পারেন কয়েক মিনিটের মধ্যে। ভিডিও গুলি এডিট
করার জন্য এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। Google play store এ পেয়ে যাবেন ভালো মানের
ভিডিও এডিটিং এপস। যার মাধ্যমে প্রফেশনালদের মতো হতে সাহায্য করবে।এই অ্যাপ গুলো সব ফ্রিতে ডাউনলোড
করতে পারবেন, এর জন্য কোনো চার্জ দিতে হবে না।
তবে, কিছু কিছু অ্যাপ রয়েছে যেগুলো পুরোপুরিভাবে ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে অল্প কিছু টাকা ব্যায় করতে হবে।
ভিডিওতে টেক্সট (text) লিখা, background music দেয়া, thumbnail যোগ করা, headline যোগ করা, বিভিন্ন
video effect ব্যবহার করা, ভিডিওর অংশ কাটা এবং আলাদা আলাদা ভিডিও একসাথে যোগ করা।আরও নানান
ধরনের কাজ করতে পারবেন। ফলে সেইসব ভিডিও গুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করার উপযোগী হয়ে উঠবে।Video
edit করার পর আপনারা সেই ফাইল ৭২০p, Full HD ১০৮০p এবং 4k format এ নিজের android মোবাইলে সেভ
করতে পারবেন।
এন্ড্রয়েড মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার সেরা ১০ টি এপস -

অনন্য অ্যাপ গুলোর মতো powerDirector এ প্রফেশনাল (professional) এবং advance ভিডিও এডিট করতে পারবেন। powerDirector app আপনি অনন্য ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার এর তুলনায় একটু অলদা কিছু পাবেন। যেমন- আপনি স্লো মিশনে ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন।Video edit করার পর আপনারা সেই ফাইল ৭২০p, Full HD ১০৮০p এবং 4k format এ নিজের android মোবাইলে সেভ করতে পারবেন
২.VivaVideo - Video Editor & Video Maker
কিছু কিছু Android blogger রা VivaVideo video editor কে সেরা বলে কয়েকবার প্রচার করেছে। এই অ্যাপ দিয়ে আপনারা প্রফেশনাল ভাবে ভিডিও এডিট করতে পারবেন।এই app ব্যবহার করে আপনারা নিজের মোবাইল থেকেই প্রফেশনাল ভাবে ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। কিছু দরকারি এডিটিং ফাঙ্কশন যেমন, ভিডিও কাটা এবং জোড়া দেয়া, trimming, merging, subtitle দেয়া, video effects এবং আরো অনেক এখানে আপনারা পাবেন।

এই অ্যাপ থেকে আপনারা ল্যাপটপ, কম্পিউটার সফটওয়্যার এর মতো ভিডিও এডিট করতে পারবেন।KineMaster এমন একটি application যেটা advanced এবং professional ভিডিও তৈরি করার জন্য সব দিক দিয়ে সক্ষম। এই app ব্যবহার করে আপনারা মোবাইলেই কম্পিউটারের মতো ভিডিও বানাতে বা এডিট করতে পারবেন। এই এন্ড্রয়েড সফটওয়্যার অনেক অনেক শক্তিশালী।

Adobe Premiere Rush দিয়ে মোবাইলে ভিডিও এডিটিং খুব ফাস্ট করা যায়। এটার ব্যবহার আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে এবং এটা Quick service দিয়ে থাকে সর্বদা।এর Automatic video creation ফাঙ্কশনের দ্বারা আপনারা যেকোনো ফটো বা ভিডিও ক্লিপ সিলেক্ট করে automatically ভিডিও এডিট করতে পারবেন। তাছাড়া, এর কিছু advanced এডিটিং টুলস ব্যবহার করে manually নিজের ভিডিও তৈরি করতে পারবেন Videocutting, trimming, transitions, adding music, filters, effects, photo motion আদি অনেক ধরণের অপশন আপনারা পাবেন।

৫. FilmoraGo – Free Video Editor
এতে রয়েছে সকল প্রকার Advance functions. যেমন- ভিডিও title যোগ করা, ভিডিও কাটা যায়, ভিডিও সাথে music এবং effects যোগ করা যায়, ফ্রিতে background music ইত্যাদি। এক কথায় সকল functions আপনি পাবেন filmoraGo তে।

৬. Magisto editor & slideshow maker
অ্যাপটিতে স্টোরিবোর্ড ধরনের ভিডিও এডিটিং ইন্টারফেস রয়েছে। অর্থাৎ, প্রয়োজন অনুসারে আপনি ক্লিপ এডিট, ট্রিম, কাট করতে পারবেন, মিউজিক এড করতে পারবেন। অ্যাপটিতে আরো থাকছে ২০০এর অধিক ভিডিও ফিল্টার, স্লো মোশন এবং ফাস্ট মোশন সাপোর্ট।

Quick Video editor Android app দিয়ে নিজের বানানো মোবাইল ফোনের ভিডিও এডিট করা যায়। আপনারা নিজের মোবাইল ফোনের গ্যালারি ইচ্ছা মতো ভিডিও বেচে নিয়ে এডিটিং করতে পারবেন। Quick apps দিয়ে আপনি নিজের ভিডিও ক্লিপ automatic video creation function দ্বারা ভিডিও এডিট করতে পারবেন ।
৮.YouCam Video – Easy Video Editor & Movie Maker
সারা বিশ্বে ১০ মিলিয়ন মানুষরা YouCam Video – Easy Video Editor & Movie Maker ব্যবহার করে। এই অ্যাপে আপনি ছবি দিয়ে প্রফেশনাল ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। এটা আপনি সম্পর্ন ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারবেন। এটার জন্য কোনো প্রকার চার্জ দিতে হবে না।
![]() |
| Add caption |
আপনি যদি ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম কিংবা টিকটক উপযোগী ভিডিও এডিটিং এর অ্যাপ এর খোজ করে থাকেন, তবে ইনশট অ্যাপটি আপনার জন্য স্বস্তির নিশ্বাস বয়ে আনবে।ইনশট অ্যাপ ব্যবহার করে ভিডিওতে গান, ভয়েসওভার, ইফেক্ট এড করা যায়। এছাড়াও স্টিকার এবং টেক্সট যুক্ত করার সুযোগও থাকছে। তে স্লো মোশন, ফাস্ট মোশন এবং হরেকরকম ফিচারও থাকছে। এতসব সুবিধার পাশাপাশি ব্যাসিক এডিটিং ফিচার, যেমন কাট, ক্রপ, ট্রিম এসব তো থাকছেই। ভিডিওর পাশাপাশি ছবি এডিটিং এর সুবিধাও থাকছে অ্যাপটিতে।
| Add caption |
মেকার ফিল্মমেকার অ্যাপটিতে থাকছে অনেকগুলো ভিডিও ইফেক্ট। এছাড়াও আপনি নিজেই তৈরি করতে পারবেন কাস্টম ভিডিও ফিল্টার। ক্রোমা কি ফিচারও রয়েছে মুভি মেকার ফিল্মমেকার অ্যাপটিতে। আর গান যুক্ত করার মত ব্যাসিক সব ফিচার তো থাকছেই।
তাহলে বন্ধুরা, আপনারা মোবাইলেই ভিডিও এডিট করতে চান এবং কম্পিউটারের মতো প্রফেশনাল ভিডিও তৈরি
করতে চান, তাহলে ওপরে দেয়া ১০ টি এডিটিং এপস ব্যবহার করতে পারেন। এই এপস গুলি ফ্রীতেই ব্যবহার করতে
পারবেন এবং এগুলি অনেক শক্তিশালী ভিডিও মেকার এপস ।

No comments:
Post a Comment